প্রতিনিধি: ইসরাফিল হোসেন
ঝিনাইদহ-৩ আসনের মেঠো পথ আর হাট-বাজারে কান পাতলেই আজ শোনা যাচ্ছে এক চেনা নাম। তবে সেই নামের সাথে মিশে আছে এক রাশ আবেগ আর সোনালী অতীতের স্মৃতি। মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শহিদুল ইসলাম মাস্টারের সুযোগ্য উত্তরসূরি মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (রনি) এবার ধানের শীষের কান্ডারি হয়ে লড়বেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় তার নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই পুরো নির্বাচনী এলাকায় বইছে আনন্দের হিল্লোল। সাধারণ মানুষ তাদের প্রিয় ‘মাস্টার সাহেবের’ বড় ছেলের মধ্যে খুঁজে পাচ্ছেন সেই পুরনো অভিভাবকত্ব।
ঝিনাইদহ-৩ আসনের রাজনীতিতে শহিদুল ইসলাম মাস্টার ছিলেন এক নিভৃতচারী ও জনপ্রিয় নাম। তার প্রয়াণের পর এলাকায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, মেহেদী হাসান রনি নিজের মেধা আর শ্রম দিয়ে সেই শূন্যস্থান পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রনি কেবল বাবার পরিচয়ে নয়, বরং নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে জয় করেছেন তৃণমূলের মন।
প্রচারণার সময় বয়োবৃদ্ধ অনেক ভোটারকে আবেগাপ্লুত হয়ে বলতে দেখা গেছে, "রনির মুখের হাসিতে আমরা শহিদুল মাস্টারের ছায়া দেখতে পাই।" বাবার অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো পূরণ এবং মানুষের সেবা করার যে দৃঢ় প্রত্যয় রনি দেখিয়েছেন, তা সাধারণ মানুষের মনে আশার আলো জাগিয়েছে।
২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ এখন সরগরম। দীর্ঘ সময় পর ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার প্রতীক্ষায় থাকা নেতাকর্মীরা রনিকে ঘিরে নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। নির্বাচনী ময়দানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সাথে কঠিন লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও, রনির প্রতি সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা তাকে অনেকটা এগিয়ে রাখছে।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করে মেহেদী হাসান রনি তার বাবার উত্তরসূরি হিসেবে সংসদের পথে হাঁটবেন—এমনটাই প্রত্যাশা এই জনপদের হাজারো মানুষের।